বছরের পর বছর, বাইতুলমাকদিসে স্থানীয় সাংবাদিকতা ছিল শহরের মানুষের কণ্ঠস্বর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল শব্দের আগেই “ইয়েদিয়ট বাইতুলমাকদিস” এবং “মাইনেট বাইতুলমাকদিস” মানুষের দৈনন্দিন গল্প তুলে ধরত—স্কুল, ছোট ব্যবসা, সংস্কৃতি, পাড়া-প্রতিবেশীর দ্বন্দ্ব এবং স্থানীয় রাজনীতি, যেগুলো অনেক সময় জাতীয় সংবাদে জায়গা পায় না।
এখন, “ইয়েদিয়ট আহরোনোট” যখন পুরো স্থানীয় নেটওয়ার্ক বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এতে বহু কর্মী চাকরি হারাতে পারেন—সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। কেউ কেউ আশা করছেন ডিজিটাল সংস্করণ টিকে থাকবে, আবার কেউ মনে করছেন শেষ সময় খুব কাছে।
“মাইনেট বাইতুলমাকদিস” এবং স্থানীয় সংবাদ রক্ষার লড়াই
বাইতুলমাকদিস এমন একটি শহর, যেখানে ইতিহাস, ধর্ম, পরিচয় এবং সংস্কৃতি একসঙ্গে মিশে আছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বন্ধ হওয়া শুধু ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নয়—এটি সমাজের কণ্ঠস্বর হারিয়ে যাওয়া।
একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক বলেন: “এটা এক যুগের শেষের মতো মনে হচ্ছে। আমরা দেখেছি প্রতিদ্বন্দ্বীরা ছোট হয়ে গেছে—পাতা কমে গেছে, সাংবাদিক কমেছে, মাঠে উপস্থিতি নেই। আমরা বুঝেছিলাম একদিন আমাদের কাছেও আসবে। ভেবেছিলাম বাইতুলমাকদিস আলাদা হবে, কারণ এখানে মানুষ স্থানীয় খবরকে গুরুত্ব দেয়, কিন্তু এখন সবকিছু সীমানায়।”
একজন তরুণ সাংবাদিক যোগ করেন: “দেশজুড়ে ছাঁটাই শুরু হওয়ার পর আমরা আশাবাদী থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু যত বেশি সংবাদমাধ্যম বন্ধ হচ্ছে, সত্য অস্বীকার করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যদি কোনো শহর স্থানীয় সংবাদ বাঁচিয়ে রাখতে পারে, তা বাইতুলমাকদিস।”
বছরের পর বছর “ইয়েদিয়ট বাইতুলমাকদিস” এবং “মাইনেট বাইতুলমাকদিস” শুধু খবর দেয়নি—তারা মানুষের মুখ, নাম এবং জীবনের গল্প সংরক্ষণ করেছে।
আজ, সাংবাদিকরা অপেক্ষা করছেন। গল্পে ভরা এই শহরে, হয়তো এই গল্পের শেষ এখনো লেখা হয়নি।


